Header Ads

test

শেষ ঠিকানা

                             

শেষ ঠিকানা

                      এসকেএইচ সৌরভ হালদার

  খুলনায় যখন নতুন ট্রেন স্টেশন তৈরি করে, তখন আমার খুব ইচ্ছা যে আমি ট্রেনে করে সফরে যাব।সেই ইচ্ছা পূরণের জন্য আমার মামা কে আমি বলি। আমার মামা সে একজন ইঞ্জিনিয়ার এত সহজে আমাকে আপন করে নেয় আমি নিজেও জানিনা। আমার স্বপ্ন পূরণের জন্য আমার মামা রাজি হয়ে, গেল ট্রেন সফরে যাওয়ার। 

 ঘুরতে যাওয়ার জন্য তৈরি হলাম শিলিগুড়ি।শুনেছি শিলিগুড়ি নাকি একটা সুন্দর জায়গা ,যেখানে আছে প্রকৃতিতে ভরা এক মুগ্ধকর পরিবেশ আছে নাকি পাহাড় তবে যায়নি কোনদিন পড়েছি শুধু বইতে আর শুনেছি শুধু মুখে ।আজ সেখানে যাব আনন্দে আত্মহারা হতে আমার  বাকি নাই।

তবে পরের দিন সকালে যখন যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছি তখন থেকে আমার যেন মনে হচ্ছে কখন পৌছাবে শিলিগুড়ি। এক কথায় বলতে গেলে দেরি আর সহ্য হচ্ছে না।

আর বিলম্ব না করে অতি শীঘ্রই রওনা হইলাম খুলনা স্টেশন। খুলনা স্টেশন যাওয়ার জন্য রূপসা নদী পার হয়ে একটা রিক্সা ভাড়া করে নিয়ে স্টেশনের দিকে যাচ্ছি।যাওয়ার পথে দেখি  কিছু লোকজন হইচই করেছ। তাহার সাথে খুব আচার্য হলাম। কারনে এত লোক একসঙ্গে হই হই করছে একটা বিস্ময়কর ব্যাপার।

তারপর মামাকে বলে আমি ওই জায়গায় যেতে চাইলাম মামা বাধা না দিয়ে সেখানে নিয়ে গেল।

সেখানে গিয়ে দেখি একটা বেদে তার নিজস্ব উপায় নিজস্ব ভাবে সাপ খেলা দেখাচ্ছে যেন সাপ দুলে দুলে বেদের সাথে নাচছে। এবং সেই বেদে সুর দিয়ে বিন বাজাচ্ছে।

তখন কিছুক্ষণ ওখানে সাপ খেলা দেখে ট্রেন ষ্টেশনের দিকে রওনা দিলাম।স্টেশনে আমার মামা পৌঁছে দিয়ে চলে গেল আর আমি ঘুরতে চলে গেলাম শিলিগুড়ি মনটা খুব সুন্দর এবং মনোরম লাগছে।

ট্রেনে যেতে যেতে হঠাৎ মাঝপথে ইঞ্জিন খারাপ হয়ে গেল। এইসময় মধ্যরাত, সবাই হয়তো ঘুমিয়ে আছে কিন্তু আমি এখনো জেগে ফেসবুকে একটু উঁকি মারছি। হঠাৎ করে একটু বিস্মিত হলাম। কারণ স্টেশন থেকে ট্রেন টি যদি ইঞ্জিন পরীক্ষা  করে চলে আসবে। তাহলে এখানে হঠাৎ করে থেমে যাবে কেন। মনে সন্দেহ প্রশ্ন টা একটু বেশি হল।


এরপর দেখি কিছু লোকজন হইচই করে ট্রেনের কেবিনের ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে। তারপর দেখি মুখে মুখোশ পরা এবং হাতে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়ছে সরবর করে। আর চিৎকার করে বলছে সবাই "জেগে যাও" যার কাছে যা আছে দিয়ে দাও" ।

 এই শুনে মনের ভিতর আমার একটু ভয় কাজ করতে লাগল আর আমি ভাবছিলাম এরা সামান্য ৩-৪ জন লোক আর আমরা এত লোক মিলে কিছুই করতে পারবোনা।

ওদের অস্ত্রপাতি দেখে কোন লোক প্রতিবাদ করলো না।আমি প্রতিবাদের সহিত উত্তর দিলাম 

-আপনারা কে ? 

আর আপনাদের আমরা আমাদের জিনিসপত্র দিতে যাব কেন।

 ওরা চিৎকার করে বলল এই তোর মরার ভয় নেই। আমি বললাম মরার ভয় থাকলেও তোমাদের মতো জানোয়ারের কাছে আমার মরার ভয় নেই।

ওদের ওস্তাদ বলল একে নিয়ে চল আমাদের ডেরায়।তখন আমি এবং আমার সাথে থাকা কিছু লোকদের ট্রেন থেকে বের করে নিয়ে গেল ওদের ডেরায় তবে যাওয়ার সময় আমাদের চক্ষু বাঁধিয়া নিয়ে গেল।

আর পরে জানতে পারলাম ট্রেনের চালক এবং এই ডাকাত মিলিয়ে ট্রেনটা এখানে থামিয়ে আমাদের উপর আত্মসাৎ করার চেষ্টা করছে।

তারপর রাতে কোনমতে মশার কামড় এবং অক্লান্তভাবে রাতটা কাটালাম। পরের দিন সকালে উঠে যখন দেখি তখন ডাকাতরা আমাদের অন্য দেশে পাচার করার পরিকল্পনা করছে। ওদের সঙ্গে দেখি ওই ট্রেন চালক কে। তারপর বুঝতে পারি ওরা একসঙ্গে কাজ করে এখানে।

আমি মনে মনে ভাবছিলাম আমার শিলিগুড়ি যাওয়ার এই হল শেষ ঠিকানা যা হলো একটা জঙ্গল যেখানে আছে প্রকৃতিতে ভরা নির্জন জায়গা। তখন আমি ভাবছি জীবনটা এভাবেই হয়তো আমার শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু এখনো আশা  ছাড়েনি।তারপর ডাকাতরা যখন আমাদের এই ডেরা থেকে অন্য ডেরা নিয়ে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিল ,তখন আমি ইশারা করে সবাইকে প্রস্তুত হতে বললাম ওদের উপর আক্রমণ করার জন্য তবে কাজটা সম্পূর্ণভাবে পারব কিনা সেটা জানিনা।

একসঙ্গে অনেকগুলো লোক ছিলাম বোধ হয় ওদের উপর আক্রমণ করতে একটু সহজ হয়েছিল তারপর ডাকাতদের উপর আমরা সবাই একসাথে ঝাপিয়ে পড়লাম এবং ডাকাতদের ফরেস্ট দের হাতে তুলে দিলাম।


ডাকাতদের সাথে এই ঘটনা ঘটতে ঘটতে তখন দুপুর হয়েছে। তারপরে ফরেস্টের জঙ্গল হতে একটি ট্যাক্সি নিয়ে পরের স্টেশন গেলাম তারপর থেকে ট্রেনে করে শিলিগুড়ি রওনা দিলাম।খুবই চমৎকার একটা কাহিনী ঘটে যখন শিলিগুড়ি যাচ্ছিলাম তখন ভাবছিলাম এটাই হবে আমার শেষ ঠিকানা কিন্তু তা আর হলো না।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। শিলিগুড়ি থেকে আবার একটি ঝামেলা তৈরি হলো। শিলিগুড়িতে যখন আমি পাহাড়ের দিকে ঘুরতে বেরিয়েছি তখন খুবই উষ্ণ ছিল পরিবেশটা। চারিদিকে পাখির কিসমিস শব্দ এবং শীতল হাওয়া বইছিলো কেউ কেউ আবার পাহাড়ের দিকে চিৎকার করছিল এবং তাদের শব্দ প্রতিবিম্ব হয়ে ফিরে আসছিল।সেই পাহাড় থেকে পাশে একটি ঝর্ণা ছিল ঝর্ণায় ঝরোঝরো ভাবে জল পরছিল। আমি একাকী মনে দাঁড়িয়ে উপভোগ করছিলাম ওই পরিবেশটাকে,এমন সময় পাশ থেকে কে যেন একটি তীর মারলো ভাগ্যবশত তীর টা আমার হাতের কাজ থেকে গিয়ে পাশের একটি গাছে ভেদ করল। এই দেখে আমি অবাক হয়ে পিছন দিকে তাকালাম হঠাৎ করে,

পিছন তীর ছুড়ে কিছু সাঁওতাল লোক আমাকে তীর বিদ্ধ করতে চেয়েছিল ।আরেকটু এগিয়ে গিয়ে দেখলাম তারা সাঁওতাল না তারা ছিল জংড়ী এবং আমি আশেপাশে তাকিয়ে দেখলাম গভীর জঙ্গলে প্রবেশ করছি। পথ হারিয়ে ফেলেছি। মোবাইলে ছবি তুলতে তুলতে মোবাইল চার্জ শেষ, যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।

 জঙ্গলে পাহাড়ের কাছে সরু রাস্তা দিয়ে আমি যাচ্ছি গাছগাছালিতে পাখিরা কিসমিস করছে ।মাঝে মাঝে ও ও বলে শব্দ আসছে বহুদূর থেকে।

আমি  ভীতু হয়ে যাচ্ছি। কিছু দূর এসে বড় রাস্তা পেলাম এবং দূর থেকে যেন হা হু বলে মানুষের আওয়াজ শুনতে পেলাম । এই আওয়াজ শুনে আমি তাদের কাছে সাহায্যের জন্য এগিয়ে যেতে লাগলাম।  এমন এক সময় কে যেন উপর থেকে জাল ফেলল এবং সেই জালে আমি আটকে গেলাম পরে দেখি এখানে ফাঁদপাতা ছিল।
তারপর উপরের দিকে তাকিয়ে দেখলাম একটি জংড়ী গাছের উপর বসে আছে।  জোরে জোরে হাসছে এবং দুই হাত নাড়িয়ে নাচতে শুরু করল আমাকে ধরে।
এরপর আমাকে টানতে টানতে নিয়ে গেল ওদের স্থানে যেখানে আমি শুনছিলাম অনেক আওয়াজ তারপর দেখি সেই আওয়াজগুলো মানুষের নয় জংড়ীদের।ওরা আমাকে বেধে চিৎকার করে ডাকছিল এবং পাশে থাকা ডলের মত একটি বাদ্যযন্ত্র জোরে জোরে বাজাচ্ছিল আর অদ্ভুত আওয়াজ করছিল।


সাধারণত ভাবে ওরা কথা বলতে পারেনা তাই একে অপরকে ইশারা করে বলছিল, যেহেতু ওদের কথা আমিও সেরকম বুঝতে পারছিলাম না। তবে ইশারা-ইঙ্গিত এর মাধ্যমে কিছু কিছু কথা বুঝতে পারছি। আমাকে ওরা মেরে ফেলার কথা বলছিল সেরকম একটা ইঙ্গিত দিল আমার তাই মনে হল।

আমি ভয়ে থরথর করে কাঁপছে যেন গলা থেকে জল শুকিয়ে যাচ্ছে। তারপর ওদের রাজা গুহা থেকে বেরিয়ে আসলো। তার শরীর এবং তাকে দেখলে একটা ভয়ানক অবস্থা হয়ে যাবে যে কারোর। 

মাথাই বিভিন্ন রঙের গাছ গাছালি দিয়ে তৈরি একটি মুকুট। হাতে  বিভিন্ন সরু গাছ কেটে চুরি বানিয়েছে ওরা। তাছাড়া গাছের শিকড় দিয়ে পায়ে গোল করে একটা শিকল তৈরি করেছে। অস্ত্র হিসেবে ওই রাজার হাতে ছিল বিশাল বড় একটা ভাঙ্গা কুড়াল। আমি এসব দেখে ভয়ে চমকে উঠলাম।

 নিজেকে নিয়ে একটু ভাবছি প্রথমে ওই ডাকাতদল আমাকে মারতে চেয়েছিল এবার এরা ।আমাকে মারতে চেয়েছে। তারপর নিজের মনকে সাহস করে একটা বুদ্ধি বের করলাম নিজের পকেটে থাকা মোবাইল ঘড়ি দিয়ে ওদের সামনে গান বাজাতে শুরু করলাম ।

 এটা শুনে ওরা ঘুরে ঘুরে নাচতে লাগল ও আমার সামনে মাথা নত করে হাত একবার নিচে এবং উপরে তুলতে লাগল। আমি ইশারা করে ওদেরকে ওদের ভাষায় বলছিলাম আমাকে খুলে দেওয়ার কথা শরীরের বন্ধন। ওরা বিনয়ের সাথে খুলে দিলো। আমি ওদের মধ্যে একজন কে ইংগিত করে সাহায্য চাইলাম‌। ওরা সাহায্য করতে রাজি হল, তারপর আমি ওদের মধ্যে একজন সঙ্গীকে নিয়ে জঙ্গল থেকে বাইরে বেরিয়ে আসলাম। বাইরে এসে আমার একটা অদ্ভুত ধারণা তৈরি হলো ভিন্ন জায়গায় ভিন্নভাবে আমাকে যেন এক আপন করে নিলো অচেনা মানুষ যারা ছিল জংড়ী।

     
                         

চলমান জীবনে মানুষ নানান ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকে ।এর কোনো টা হয়তো মধুর আবার কোনটা হয়তো বেদনা। কেউ কেউ অতি প্রকৃতি অভিজ্ঞতা দাবি করেন যা হয়ত যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা অসম্ভব নয় ।



রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে ঘটে তবে সামাজিক অভিজ্ঞতা খুব একটা হেরফের হয় না। তার কারণ এমন ক্ষেত্রে তাঁর ব্যক্তিত্ব অভিজ্ঞতা প্রকাশ করলেও এগুলোতে ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিই প্রকাশ করা হয় ।ভাষার উপর দখল থাকলে অভিজ্ঞতা বর্ণনা করা সম্ভব কিছু সাহিত্য প্রতিভা না ,থাকলেও গল্প লেখা সম্ভব নয় কিন্তু কিছু প্রকৃতির মানুষ থাকে যাদের কে একটি নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে বাস্তবের সম্মুখীন হতে হয়।

 আমিও তার মধ্যে একজন।প্রথম থেকে শিলিগুড়ি আসার পর এবং শিলিগুড়ি আসার আগে বাস্তব একটা কাহিনী সম্মুখীন হতে হয়েছিল আমার কিন্তু এমন কখনো ঘটেনি যে পশুপাখির মায়ার বন্ধনে জড়িয়ে যাব।

জঙ্গিরা আমাকে যখন জঙ্গল থেকে বের করে দিল তারপর আমি সদরের চলে আসলাম বাসায় ফিরে আমি ভাবছি শিলিগুড়ি আসতে কত বিপদ হলো আমার এমন সময় কেউ এসে কলিং বেল বাজালো

 -আর বলছে বাড়িতে কেউ আছে

-আমি বললাম হ্যাঁ ভিতরে আসেন দরজা খোলাই আছে



তারপর দেখি লোকটা ছিল ফরেস্ট অফিসার হাতে একটা টিয়া পাখি , পাখিটাকে দেখে আমার মনে হল মানুষ যেমন স্বাধীন হয়ে সবার মাঝে বাঁচতে চাই পশুপাখিদের ইচ্ছে করে করে সবার মাঝে বেঁচে থাকতে কিন্তু তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছা একইভাবে প্রকাশ পায় না।



আমি এই পাখিটাকে দেখে ফরেস্ট অফিসার কে প্রশ্ন করলাম এসব আমার এখানে কেন

উনি উত্তরে বললেন আপনার সাথে আমার জঙ্গলে দেখা হয়েছিল আপনার হয়তো মনে নেই।



 জঙ্গল থেকে এক কিশোরী আপনার পিছু নিয়েছিল। সে পিছু নেওয়ায় আপনাকে কোথাও যেন আড়াল করে দেখছিল এবং আপনাকে ভালোবেসে ফেলেছিল।

সে কিশোরী ছিল ওই জঙ্গিদের রাজার মেয়ে কিন্তু সে একটু ভিন্নরকম জঙ্গিদের থেকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায় এবং সে মানুষের মত সাধারন ভাবে কথা বলতে পারে এবং স্বাধীন ভাবে জীবন যাপন করে।





আপনি জঙ্গলে প্রবেশ করার সময় প্রথম গেটে যখন আপনার ঠিকানা লিখে ছিলেন তখন আমি ওই ঠিকানা থেকে আপনার এখানে পৌঁছেছি আর ওই মেয়েটি আমাকে অনুরোধ করেছিল যে আপনাকে এই পাখিটা উপহার দেওয়ার জন্যে।



তাই আমি অনুরোধ ফেলতে পারলাম না যে আপনার এখানে চলে আসলাম।



এই কথা শুনে আমায় খুবই চমৎকার  হলাম এবং ওই মেয়েটাকে দেখতে ইচ্ছুক খোলা।



ফরেস্ট অফিসার কে বলি আমি ওই মেয়েটাকে দেখার সুযোগ করার জন্য বললাম আর সেই ভাবে ফরেস্ট অফিসার বলল এবং তার সাথে আমার দেখা হলো তারপর দেখি সে সাধারন মানুষের মতই একজন মানুষ কিন্তু পরনে ছিল জংড়ীদের মত কাপড়-চোপড়। দেখতে খুবই সুন্দর ছিল হাতে ছিল তীর ধনুক।মেয়েটির সাথে দেখা করলাম একটা ঝর্ণার পাশে চমৎকার একটি প্রাকৃতিক পরিবেশ ছিল সেখানে যেন মনমুগ্ধকর।



                           

এই মনোমুগ্ধকর পরিবেশ উপভোগ করতে করতে কোথাও যেন হারিয়ে গেছে নিজেও বুঝতে পারেনি।আমার কথা কল্পনা সপ্ন পরি ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি আর এখন সেই স্বপ্ন যেন পূরণ হতে যাচ্ছে এক অসীম সীমার মধ্যে।

সেদিন দেখা করার পর যখন বাড়ি ফিরে আসলাম তখন আমার খুবই ভালো লাগছিল যেন মনে হচ্ছিল কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছি এক অজানা দুনিয়ায়। 



তারপর সন্ধ্যা বেলায় আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি অনেক বড় একটা চাঁদ উঠেছে তারপর ভাবলাম আজ পূর্ণিমা। সন্ধ্যায় কিছু সময় পর পূর্ব আকাশে গোলগাল একখানা চাঁদ উঠেছে হঠাৎ কোন এক কারণবশত আমি আমার গ্রামে যখন বেড়াতে গিয়েছিলাম তখন হয়তো এই পূর্ণিমার রাতে শেষ দেছিলাম। আজ এই দেখছি।সন্ধ্যা অনেক পূর্বে ঘনিয়ে এসেছে ।



ঘন মেঘের আবরণ ভেদ করে সূর্যের আলোর উপস্থিতি আর এখন নেই।সন্ধ্যার প্রকৃতিকে দেখতে আমার খুবই ভাল লাগে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়ে দূর থেকে ।দেখছিলাম একগাদা জ্যাম বেধে আছে রাস্তায়।প্রতিটি গাড়িতে আছে আলো চারিদিকে ঘরবাড়িতে জ্বলছে আলো শুধু আলো আর আলো খুবই প্রকৃতিময় সন্ধ্যা তার সঙ্গে এই কৃত্রিম মানুষের বসতির আলো দেখতে খুবই সুন্দর।



কিন্তু কিছুক্ষণ পর সে আলো আর থাকলো না।কারণ আকাশে প্রচণ্ড মেঘ করছে আর দক্ষিণ দিক থেকে বাতাস বইছে উতলা।এই বাতাসে দেখে মনে হচ্ছে এই মুহূর্তে ঝড় উঠবে এবং বৃষ্টি নামবে।



                                 ধন্যবাদ