Header Ads

এসকেএইচ সৌরভ হালদার উৎসর্গ করলেন জয়নুল আবেদীনের জন্মদিন কে

                           জয়নুল আবেদীন

আজ ২৯ডিসেম্বর ২০১৯, বাংলাদেশয বিখ্যাত চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদীন এর জন্মদিন।এই দিনে তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।এসকেএইচ সৌরভ হালদার জয়নুল আবেদীন এর জন্মদিন এ উৎসর্গ করলেন। চিত্রশিল্পী কবিতার মধ্যে দিয়ে।
কবিতা,
                                  চিত্রশিল্পী
এসকেএইচ সৌরভ হালদার
নিত্য নতুন দিনে
একে চলেছে
ভিন্ন রং
যেন জলজ্যান্ত একটি মানুষ ,
দাঁড়িয়ে আছে
তার ছবির মাঝে
মনের ভিতর কল্পনাতে
এঁকেছে তার ছবি
ফুটিয়েছে রং তুলিতে
জলজ্যান্ত একটি ছবি
ক্যামেরায় বন্দি হোক
কিংবা হৃদয়ে আঁকা
যে আঁকতে পারে
রং তুলিতে সেই চিত্রকলা ।
এঁকেছে সে রংয়ের মাঝে
লোকে তাকে ডাকে চিত্রশিল্পী বলে
রংধনুর মাঝে মিলেছে রং
এঁকেছে কভু চিত্রশিল্পীর দল।



গুগল
      আজ এই দিনে জয়নুল আবেদীন এর জন্মদিন গুগল এই ছবির মাধ্যমে উৎসর্গ করলো জয়নুল আবেদিন কে।



জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দের ২৯ ডিসেম্বর  ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহুকুমার কেন্দুয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তমিজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন ছিলেনুল আবেদীন এর বাবা। পুলিশের দারোগা (সাব-ইন্সপেক্টর),এ চাকুরী করতেন ।জয়নাবুন্নেছা (মা)গৃহিনী। নয় ভাইবোনের মধ্যে জয়নুল আবেদিন ছিলেন সবার বড়। 
খুব ছোটবেলা থেকেই তিনি ছবি আঁকতে পছন্দ করতেন। পাখির বাসা, পাখি, মাছ, গরু-ছাগল, ফুল-ফল ইত্যাদি এঁকে মা-বাবাকে দেখাতেন। ছেলেবেলা থেকেই শিল্পকলার প্রতি আগ্রহ ছিল।  ষোল বছর বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে তিনি বন্ধুদের সাথে কলকাতায় আসেন। গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস দেখার জন্য। কলকাতা গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস ঘুরে আসার পর পড়াশোনায় জয়নুল আবেদিনের মন বসছিল না। তাই ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে মাধ্যমিক (ম্যাট্রিক) পরীক্ষার আগেই স্কুলের পড়ালেখা বাদ দিয়ে কলকাতায় চলে আসেন এবং মায়ের অনুসমর্থনে গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন। তারপর  জয়নুল আবেদিনের মা নিজের গলার হার বিক্রি করে ছেলেকে কলকাতার আর্ট স্কুলে ভর্তি হতে করেন। জয়নুল আবেদিন ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কলকাতার সরকারি আর্ট স্কুলে পড়েন। ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টসের ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং ডিপার্টমেন্ট থেকে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

#জয়নুল আবেদীন এর জন্মদিন